ডেইলি ক্রাইম বার্তা ডেস্ক : সময়টা ছিল অমাবস্যার বেশ কদিন আগে, আর ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ডান পাশ গেছে মিয়ানমারের ওপর দিয়ে। অপেক্ষাকৃত কম শক্তির বাঁ পাশের অংশ গেছে মূলত সেন্ট মার্টিন ও টেকনাফের ওপর দিয়ে। ফলে আশঙ্কা থাকলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারেনি অতি আলোচিত ঘূর্ণিঝড় মোখা। ভাটা আর বাতাসের দিক ও গতির কারণে জলোচ্ছ্বাস হয়নি সেন্ট মার্টিনে। তবে কাঁচা ঘর আর গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মূল ভূভাগ থেকে বিচ্ছিন্ন বঙ্গোপসাগরের এই প্রবাল দ্বীপে ঝড় শুরু হয় রবিবার সকালের পর থেকে। ঝড়ের প্রভাব দেশের মূল ভূখণ্ডের মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় ছিল বেশি।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সেন্ট মার্টিনে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ঝড়ের গতি ছিল ১৪৭ কিলোমিটার। দুপুর ১টায় সেখানে বাতাসের বেগ ছিল ৯৮ কিলোমিটার। আর টেকনাফে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে ঝড়ের গতি ছিল ১১৫ কিলোমিটার। ঝূর্ণিঝড়ের ভূমিতে উঠে আসার সময়ে ছিল এটি।
এর বাইরে উপকূলের ১২ জেলায় ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেওয়া হলেও সে সব জেলায় মোখার তেমন প্রভাব পড়েনি। মূলত দেশের একটি উপজেলার ওপর দিয়েই বয়ে গেছে ঝড়টির মূল অংশ। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। জলোচ্ছ্বাস না হওয়ায় প্রাণহানি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।